প্রথমে বলে রাখি আল্লাহ কি না করতে পারেন। তিনি যখন খুশি তখন করে। বিশ্বাস করবে আস্তিক, করবে না নাস্তিক। এটাই মুল কথা। আমি আপনাকে বুজানো চেষ্টা করব। চলুন শুরু করা যাক,
আপনি নিশ্চয়ই ২৪ ঘণ্টা=১দিন এই হিসাব ধরেছেন। আমিও তাই বলবো। কিন্তু আপনি যদি কুরআনের ঐ আয়াতের দিকে তাকান তাহলে দেখবেন দিন এর আরবি হিসেবে "ইয়াম" ব্যবহার করা হয়েছে। যার বহুবচন "আইয়াম" । এখন আপনি যদি আরবি ডিকশনারিতে খোঁজ করেন তবে দেখতে পাবেন "ইয়াম" এর ২ টি অর্থ আছে। একটি হলো দিন। অর্থাৎ ২৪ ঘণ্টা=১ দিন। আর একটি অর্থ হলো পর্যায় বা phase। আপনি যদি ঐ আয়াতের অর্থ এভাবে করেন যে, আল্লাহ তায়ালা পুরো মহাবিশ্ব সৃষ্টি করেছেন ৬ টি পর্যায়ে তাহলে কিন্তু খুব সহজেই বুঝতে পারা যায়। কিন্তু এমনটি বলা হয়নি যে এক একটি পর্যায় সম্পন্ন করতে আল্লাহ\"র ২৪ ঘণ্টা লেগেছে। তাই এমনটি যেমন হতে পারে যে আল্লাহ এক একটি পর্যায় তৈরি করার জন্য শুধু "হও" বলেছেন তেমনি এমনটিও হতে পারে যে আল্লাহ তায়ালা দীর্ঘ সময় ধরে সব সৃষ্টি করেছেন। কিন্তু দীর্ঘ সময় ধরে সৃষ্টি করেছেন তার মানে এই নয় যে তিনি হও বললেই সব সৃষ্টি হয় না। অবশ্যই তিনি হও বলার সাথেই সব সৃষ্টি হয়ে যায়। কিন্তু কখনো কখনো তিনি ইচ্ছা করেই কোনো কোনো কাজ দীর্ঘ সময় ধরে করেন বা দেরিতে করেন। যেমন আল্লাহ তায়ালা চাইলেই হযরত আদম (আঃ) কেই পবিত্র কুরআন দিতে পারতেন। কিন্তু তা তিনি করেননি। ঠিক তেমনি তিনি ৬ টি পর্যায়ে এই মহাবিশ্ব সৃষ্টি করেছেন তার মানে এই নয় যে তিনি একবারেই সৃষ্টি করতে পারেন না। অবশ্যই পারেন। কিন্তু কোনো বিশেষ উদ্দেশ্যেই তিনি তা করেননি।আশা করি বুঝাতে পেরেছি।
Comments
Post a Comment