পবিত্র কুরআনে যদি সব আগে থেকেই বলা থাকে, তবে মুসলিম ভাইয়েরা কেন আলাদা করে বিজ্ঞান পড়ে
✪✪✪
“তথাপি প্রত্যেক যুগে এমন মুসলিম পাওয়া গেছে যারা কুরআনের উপদেশ অনুসরন করেছেন এবং অনেক বিস্ময়কর আবিষ্কার করেছেন।কেউ যদি অনেক শতাব্দী আগের কোন মুসলিম বিজ্ঞানীর লেখা পাঠ করেন,তবে তিনি দেখবেন যে,তা কুরআনের উদ্ধৃতিতে পরিপূর্ন।এই গ্রন্থগুলিতে উল্লেখ আছে যে তাঁরা এই সেই ক্ষেত্রে কোন কিছুর সন্ধানে গবেষনা করেছেন।আর তাঁরা দৃঢ়তার সাথে বলেন যে,এটা বা ওটার ক্ষেত্রে তাঁদের অনুসন্ধানের কারণ হল,কুরআন তাদেরকে সেই দিকটি দেখিয়ে দিয়েছে”।
গ্যারি মিলার এখানেই থেমে যাননি তিনি আরো লিখেন “টেলিভিশনের অনুষ্ঠানের জন্য একবার টরেন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের ভ্রুনতত্বের বিষয়ের অধ্যাপক বিজ্ঞানী ড. কীথ এল মূরের সাক্ষাৎকার তিনি নেন।উক্ত সাক্ষাৎকারে মূর বলেন-‘মানুষের বৃদ্ধি ও বিকাশ সম্পর্কে কুরআনে উল্লেখিত কিছু বিষয় ত্রিশ বছর আগেও বিজ্ঞানের অজানা ছিল।তিনি বলেন যে বিশেষ করে একটি বিষয়,মানুষের একটি পর্যায়ের কুরআনিক বর্ননা জোঁক সদৃশ রক্তপিন্ড(আলাক),তার কাছে নতুন ছিল,কিন্তু যখন তিনি এটি যাচাই করেন,তখন দেখেন যে,এটি সত্য আর তাই এটি তিনি তারঁ গ্রন্থে অন্তর্ভুক্ত করেন।তিনি বলেন আগে আমি এটি কখনোই ভাবিনি। তিনি প্রাণিবিদ্যা বিভাগে গিয়ে জোঁকের ছবি চান।যখন তিনি দেখেন যে,এটি ঠিক মানব ভ্রুনের মত দেখতে,তখন তিনি সিদ্ধান্ত নেন যে,উভয় চিত্রই তিনি তাঁর পাঠ্য বইয়ের অন্তর্ভুক্ত করবেন।
মিসরের বিজ্ঞানী প্রফেসর ডঃ আবদুল বাসিত মুহাম্মদ সাইয়েদ কোরআনের সুরা ইউসুফের
اذْهَبُواْ بِقَمِيصِي هَـذَا فَأَلْقُوهُ عَلَى وَجْهِ أَبِي يَأْتِ بَصِيرًا وَأْتُونِي بِأَهْلِكُمْ أَجْمَعِينَ
তোমরা আমার এ জামাটি নিয়ে যাও। এটি আমার পিতার মুখমন্ডলের উপর রেখে দিও, এতে তাঁর দৃষ্টি শক্তি ফিরে আসবে। আর তোমাদের পরিবারবর্গের সবাইকে আমার কাছে নিয়ে এস। [ সুরা ইউসুফ ১২:৯৩ ]
এই আয়াতের দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে মানুষের ঘাম থেকে চোখের ছানির ড্রপ আবিষ্কার করেছেন।
এবার আসেন ডাক্তারি করতে যে চিকিৎসা বিজ্ঞানে পড়াশোনা করা লাগে তার জনক কে দেখি-
ইবনে সিনা : সর্বকালের অন্যতম শ্রেষ্ঠ জ্ঞান সাধক এবং আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের জনক - নিভৃত নিঃশব্দ এর বাংলা ব্লগ । bangla blog | সামহোয়্যার ইন ব্লগ - বাঁধ ভাঙ্গার আওয়াজ
যে প্রকৌশলবিদ্যার কথা বললেন, আর ভিত্তিমূল বীজগণিতের জনক কে দেখি-
আল খোয়ারিজমি - উইকিপিডিয়া
নিচের এই ব্যক্তিকে রসায়নের জনক বলা হয়-
জাবির ইবন হাইয়ান - উইকিপিডিয়া
আজকের মত এটুকুই থাক।
Comments
Post a Comment