"কোরআন" কি বিজ্ঞানময় কিতাব ?


আঠারোশো সালের আগে কেউই জানতো না পরমাণুর চেয়ে ছোট বস্তু অস্তিত্ব থাকতে পারে। 

কিংবা এখনো অনেকে জানে না।
আজ আমি তোমাদের কে এমন তত্ত জানাবো যা শুনে হয়তো তুমি অবাক হয়ে যাবে। 
আল্লাহ পাক পবিত্র কোরআনের একটি আয়াতে পরমাণুর চেয়ে ছোট বস্তু অস্তিত্ব থাকার ব্যাপারে ইংগিত করেছেন।    
অবাক হলে, হ্যা আমি সত্যি বলছি। 
চলো শুরু করা যাক, 
কোরআনের আয়াত, "তিনি [আল্লাহ ] অদৃশ্য সম্পর্কে জ্ঞাত। নভোমণ্ডল আর ভূমন্ডলের অনু পরমাণু জিনিস ও তার অগোচরে নেই। এমনকি এর চেয়ে ও (অনুর চেয়েও) ছোট কিংবা বৃহৎ সবকিছুই সুস্পষ্ট কিতাবে লেখ আছে " 
এই আয়াতে "অনু পরিমাণ " বোঝাতে আরবী 
"যাররা" শব্দ ব্যবহার হয়েছে। যেটি এসেছে 
"যাররাতুন" থেকে সকল আরবী ডিকশনারীতে এই "যাররাতুন" শব্দের অর্থ (atom,smallest,piece) ক্ষুদ্রতম ক্ণা ইত্যাদি। অর্থাৎ, আল্লাহ ওয়া তাআলা এই আয়াতে স্পষ্ট শব্দেই অ্যাটম তথা পরমাণুর কথা উল্লেখ করেছেন এবং এর পর পরই তিনি বলেছেন এটার চেয়ে অর্থাৎ এই পরমাণুর চেয়ে ও ছোট কিংবা বড় কিছু আছে তার সবটাই তিনি লিখে রেখেছেন সুস্পষ্ট কিতাবে। পরমাণুর চেয়ে যে ছোট বস্তু থাকতে পারে সেটি আঠারোশো সালের অনেক আগেই আল্লাহ ওয়া তাআলা কুরআনে ইংগিত করেছেন। এখানে আল্লাহ ওয়া তাআলা যে ভাষাটির ব্যবহার করেছেন সেটাই সবচেয়ে চমকপদ। তিনি বলেছেন "অণুর চেয়ে ছোট জিনিস " তিনি কিন্তু,"যাররা " বা অণুর নাম নেওয়ার পরে বলে দেননি যে, অণুর চেয়ে ও ছোট বস্তু ইলেকট্রন সম্পর্কে ও আল্লাহ জানেন। তিনি অণু পরে আর কোনোকিছুর নাম নিদিষ্ট করে বলেননি। তার মানে হলো অণুর পরে ইলেকট্রন, প্রোটন, নিউট্রন সহ কেয়ামত পর্যন্ত যাই ই আসতে থাকবে এর আওতায় পড়বে। এমন চমকপদ 
ভাষাজ্ঞান আর আধুনিক বিজ্ঞানের আবিষ্কৃত 
বিষয়দি কি কোনো নিরক্ষর মানুষের পক্ষে জানা সম্ভব। আমরা যেখানে আঠারোশো সালের জ্ঞান ভাবছি। সেই জ্ঞানের ঝলক তো আজ থেকে সাড়ে চৌদ্দশো বছর আগে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ওপর এসেছে। 
হ্যা, কোরআন আমাদের ভাবতে বলেছে, " তারা কি কুরআন নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা -ভাবনা করে না। নাকি তাদের অন্তর তালাবদ্ধ। "

Comments

Popular posts from this blog

রাসূল (স.)এর কবর মোবারক কে খনন করেছিল ?